শিরোনাম
  জামালগঞ্জে বিএনপি নেতা এমদাদুল হক আফিন্দীর নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ :       জামালগঞ্জে হাওরে মাছের আকাল, চাষের মাছই ভরসা       ছাতক পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে আদালতে মামলা       দিরাইয়ে মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজে ধীরগতি       আজ পহেলা সেপ্টেম্বর রানীগঞ্জ গণহত্যা দিবস       খানাখন্দে ভরা জামালগঞ্জ কারেন্টের বাজার সড়ক,ভোগান্তি অর্ধলক্ষ মানুষের       শ্রীরামসী গণহত্যা দিবস পালিত       এক হাজার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান করলেন মুকুট       তাহিরপুরে শহীদ সিরাজের সমাধিতে এমপি সহ নেতাকর্মীদের দোয়া       সুনামগঞ্জের সম্ভাবনাময় পর্যটন নিয়ে সরকার ব্যাপক আন্তরিক পর্যটন সচিব    


ছাতক প্রতিনিধি: জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যার দায়ে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের আট সদস্যকে মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। তাদের মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে মৃত্যুদ- কার্যকর করার আদেশ দিয়েছেন বিচারক। বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদ-ও দেওয়া হয়। দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মইনুল হাসান শামিম ওরফে সিফাত সামিরের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার মাধবপুর গ্রামে। তাঁর বাবা মৃত আবদুল কুদ্দুছ ছিলেন এলাকার সুপরিচিত ব্যাক্তি। ছাতক থানা সুত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে হিযবুত তাওহীদের প্রচারপত্র বিতরণের সময় পুলিশ শামীমকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে ছাতক থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। একপর্যায়ে শামীম সুনামগঞ্জের সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে অস্থায়ী জামিনে মুক্তি পান। পরে উচ্চ আদালত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে স্থায়ী জামিন দেন। জামিন পেয়ে তিনি ছাতক থেকে সিলেটে লেখাপড়া করতে চলে যান। শামীম সিলেটে থাকা অবস্থায় বছরে দু-একবার বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন এবং খুব কম সময় বাড়িতে অবস্থান করতেন। এসময়ে যোগ দেয় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে (এবিটি)। এবিটি নিষিদ্ধের পর নেতাকর্মীরা আনসার আল-ইসলামের ব্যানারে সংগঠিত হয়। কয়েক মাস ঢাকার মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিং এলাকায় বোমা তৈরির প্রশিক্ষণও নেয় সে। এরপর ব্লগার, মুক্তমনা লেখকের ওপর হামলার নেতৃত্ব দিতে থাকে শামীম। জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণও দিতে শুরু করে। একপর্যায়ে শাহবাগে প্রকাশক দীপন ও সাভারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র রিয়াদকে হত্যা করে সে। জানা গেছে, ছয় ভাইবোনের মধ্যে শামীম সবার ছোট। বড় ভাই আবু জাফর টিপু ছাতক শহরে একসময় রেস্টুরেন্টের ব্যবসা করতেন। অপর দুই ভাই নাজমুল হাসান লিটু ও মঞ্জুরুল হাসান মনজু লন্ডনে আছেন। দুই বোনের বিয়ে হয়েছে। বাবা আবদুল কুদ্দুছ প্রায় দশ বছর আগে মারা গেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, শামীমকে এলাকায় কম দেখা যেতো। এলাকার লোকজন জানেন, শামীম সিলেটের মদনমোহন কলেজে লেখাপড়া করছেন। এক প্রতিবেশী বলেন, শামীম খুবই বিনয়ী ছেলে ছিলেন। কম কথা বলতেন। মানুষের সঙ্গে মেলামেশাও করতেন কম। তাঁদের পরিবার এলাকায় বেশ পরিচিত। তাঁর বাবা এলাকার একজন সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। শামীমের বড় ভাই আবু জাফর টিপু বলেন, ‘আমার ভাই খুবই নিরীহ প্রকৃতির ছেলে। যে ছেলে রাতে ভয়ে ঘর থেকে বের হতো না, এখন শুনি সে ঢাকায় গিয়ে বড় সন্ত্রাসী হয়েছে, মানুষ খুন করেছে। আমরা এর কিছুই জানি না। তখন থেকে তার সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই।’উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর বিকেলে আজিজ সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই প্রকাশনা থেকে জঙ্গি হামলায় নিহত অভিজিৎ রায়ের ‘বিশ্বাসের ভাইরাস’ বইটি প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রকাশক দীপন হত্যা ছাড়াও ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি সাভারের শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিয়াদ মোর্শেদ বাবুকেও হত্যার অভিযোগ রয়েছে শামীমের বিরুদ্ধে।




১৮ কিলোমিটার ফ্লাইওভার নির্মাণ করে সুনামগঞ্জের সাথে ধর্মপাশার যোগাযোগ স্থাপন করা হবে : পরিকল্পনা মন্ত্রী

তাহিরপুরের সাবেক এমপি কালিচরন মুচির পরিবারে এখনও টিকে আছে নাগরী ভাষা

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির প্রতিবাদ-বিক্ষোভ

আমলাদের ‘পাছায় লাথি’ ফর্মুলায় দুঃস্থ তালিকা

গরু চুরির প্রতিবাদ করতে গিয়ে জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ। আহত ৪।

আওয়ামীলীগের ৬ইউনিটের সম্মেলন প্রস্ততি কমিটি দলকে গতিশীল করতে করা হয়েছে

২০ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পনা মন্ত্রীর দিরাই সফর নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত আ.লীগ,দেখানো হতে পারে কালো পতাকা

সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারী ইকবাল ও তার স্ত্রীর সম্পদের উৎস কোথায় ?

সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ পুনর্মিলনী : সদস্যসচিব এর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের

এমপিরা অতঃপর ‘স্যার’ বলবেন ডিসিদের !!

error: Content is protected !!