1. newsjibon@gmail.com : adminsp :
সুনামগঞ্জে সেতু থেকে নদীতে পড়ে স্কুল ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু - সুনামগঞ্জ প্রতিদিন
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

সুনামগঞ্জে সেতু থেকে নদীতে পড়ে স্কুল ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু

  • শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০২৩
  • ২৪৭ বার পঠিত
Spread the love

 

বিশেষ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ শহরের অদূরে আব্দুজ জহুর সেতু থেকে সুরমা নদীতে পড়ে এক স্কুল ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত স্কুল ছাত্রী জেসমিন আক্তার তানজিম (১৬) সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। উক্ত বিদ্যালয় থেকে এবছর সে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। সে শহরের ষোলঘর এলাকার রুহানুর রহমান রোহানের মেয়ে বলে জানা গেছে। তবে কি কারনে এ মৃত্যর ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে নানা কথা শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে এক ধরনের রহস্য দানা বেঁধেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করলেও মেয়েটির স্বজনরা বলছেন অসাবধানতায় নদীতে পড়ে মেেেয়টির মৃত্যু হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টিকটক ভিডিও ও সেলফি তোলতে যেয়ে তার মৃত্যু হয়েছ বলে খবর রটলেও -এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, নিহত জেসমিন আক্তার তানজিম শহরের সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে দশটার দিকে বিদ্যালয়ে থেকে মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে সহপাঠীদের সাথে শহরের অদূরে আব্দুজ জহুর সেতু এলাকায় ঘুরতে যায়। এক সময় সে সেতুর স্টীলের রেলিংয়ে উঠতে গেলে সেখান থেকে নীচে সুরমা নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। নিখোঁজ তানজিমকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডবুরি দল ও স্থানীয়রা দুই ঘন্টা অভিযান চালিয়ে এক পর্যায়ে তার মৃতদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
তানজিমের সহপাঠী ইমা আক্তার বলেন, আমি আর তানজিম খুব ভালো বন্ধু। আমি আর সে পরীক্ষা দিয়ে আব্দুজ জহুর সেতুতে বেড়াতে যাই। সেতু থেকে ফেরার পথে সে আমার থেকে কিছুটা পেছনে পড়ে যায়। এসময় সে সেতুর রেলিংয়ে উঠার চেষ্টা করে। আমি একটু আগাতেই আচমকা সে রেলিং থেকে নীচে সুরমা নদীতে পড়ে যায়। এসেময় আমি চোখে ঝাপসা দেখছিলাম। এর বাইরে আর কিছু বলতে পারি না।
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যক্তি জানান, মেয়েটি নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে। সে কোনো ভিডিও করেনি বা ছবি তোলারও চেষ্টা করেনি। এটি আত্মহত্যা হতে পারে বলে জানান তারা।
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান মেয়েটির দ্বিতীয় পক্ষের পিতা মতি মিয়া। তিনি বলেন, সে আমার মেয়ে। তার মায়ের সন্তানসহ আমার সাথে দ্বিতীয় বিয়ে হয়। সে আমার সাথে শহরের তেঘরিয়ার বাসায় বসবাস করছিল। সে এবার সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। সে উক্ত স্কুলের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী । তিনি বলেন, এমন একটি মেয়ে আত্মহত্যা করার কথা না। অসাবধানতায় পড়ে এমন ঘটনা ঘঠেছে বলে ধারণা করছেন তিনি। এদিকে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখছে পুলিশ। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য স্কুল ছাত্রীর মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে সদর থানা পুলিশ।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর কথা থেকে প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। পারিবারিক অশান্তির কারনে এটি হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত না করে এ ব্যাপারে আগাম কিছু বলা যাচ্ছে না। বিষয়টা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Spread the love
এই বিভাগের আরো খবর

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: জুনায়েদ চৌধুরী জীবন

© All rights reserved © সুনামগঞ্জ প্রতিদিন
Theme Customized BY LatestNews
error: Content is protected !!