1. newsjibon@gmail.com : adminsp :
শান্তিগঞ্জে জমে উঠেনি ইফতারির বাজার - সুনামগঞ্জ প্রতিদিন
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

শান্তিগঞ্জে জমে উঠেনি ইফতারির বাজার

  • রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৩৬ বার পঠিত
Spread the love

 

শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার বাজারগুলোতে এখনও পুরোদমে জমে উঠেনি ইফতার সামগ্রীর বাজার। অন্যান্য বছর ৮ রোজায় ইফতার সামগ্রীর দোকানগুলোতে যে পরিমান ইফতারি বিক্রি হতো এ বছর বিক্রি হচ্ছে তার অর্ধেক। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন আগামী দু’চার দিন অর্থাৎ রবিবার-মঙ্গলবার নাগাদ বাজার জমজমাট হয়ে উঠবে।
শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজার, আক্তাপাড়া মিনাবাজার, নোয়াখালী বাজার, শান্তিগঞ্জ বাজার ও পাথারিয়া বাজারসহ উপজেলার একাধিক বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইফতার সামগ্রীর দোকানে সাধারণত মিষ্টি, নিমকি, জিলাপি, খাজা, ছানাভূঁনা, পিঁয়াজি, বেগুনী, পোলাও, আলুর চপ ইত্যাদি খাদ্য সামগ্রী বিক্রি হয়। মূলত: এসব পণ্যের সাধারণ খুচরা ক্রেতার চেয়ে পাইকারি ক্রেতার পরিমান বেশি। বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে পাঠানোর জন্য এসব ইফতার সামগ্রী বেশি বিক্রি হয়। দল বেঁধে, দু’চার-পাঁচজন এক সাথে হয়ে এসব ইফতার সামগ্রী কিনতে আসেন ক্রেতারা।
দোকানদাররা জানান, অন্যান্য বছর আট রোজায় ইফতার সামগ্রীর বিক্রির পরিমান খুব বেশি থাকতো। যে পরিমান মিষ্টি, নিমকি, জিলাপী আর খাজা বিক্রি করতাম তার অর্ধেক বিক্রি হচ্ছে। এখনো জমজমাট বিক্রি শুরু হয়নি। তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় থেকে বিক্রি বাড়বে। দোকানিরা জানান, প্রতি কেজি সাদা মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে ২শ ৫০ টাকায়, মিক্সড্ (সাদা-লাল) ২শ ২০টাকা, খাজা ২শ টাকা, নিমকী ১শ ৪০ থেকে ১শ ৬০ টাকা, জিলাপী ১শ ৫০ টাকা, ছানাভূঁনা ২শ টাকা, পিঁয়াজি ২শ টাকা, বেগুনী ও আলুচপ প্রতি পিচ ৫টাকা। ক্রেতারা জানান, প্রতিটি ইফতার সামগ্রীর পণ্যের দাম বেশি। ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে ইফতার পাঠানোর জন্য লক্ষমাত্রা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হই সে পরিমান ইফতার ক্রয় করা যায় না। পণ্যের দাম খুব বেশি।
বীরগাঁও নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মোবারক হোসেন। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন ছয় বছর আগে। এখনো নিজের ভালো লাগা থেকে মেয়ের বাড়িতে প্রতি বছর সামর্থ্য অনুযায়ী ইফতার নিয়ে যান তিনি। পাগলা বাজারের দেব মিষ্টি ঘরে এসেছেন ইফতার ক্রয় করতে। তার সাথে ৮-১০ বছরের মাহমুদুল নামের এক নাতি। ১ কেজি মিষ্টি, ৪ কেজি জিলাপী, ৩ কেজি নিমকী, ১ কেজি খাজা, ১ কেজি চানাভূঁনা ও কিছু পিঁয়াজির অর্ডার করেছেন তিনি। কথা হয় তার সাথে। তিনি জানান, ইচ্ছা ছিলো আরও বেশি করে ইফতারি দেওয়ার। কিন্তু পণ্যের যে পরিমান দাম, কম কম কিনে নিচ্ছি। এটা আমার ভালা লাগা থেকেই দেই।পাগলা বাজারের মা রেস্টুরেন্ট এন্ড মিষ্টি ঘরের স্বত্বাধিকারী সুজাতুল ইসলাম সুজা ও দেব মিষ্টি ঘরের পরিচালক কেশব দেব বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ক্রেতাও কম, বিক্রিও কম। তবে, আমরা আশাবাদী, রবি-সোমবার নাগাদ অর্থাৎ দশ রোজার পর বিক্রির পরিমান বাড়বে। আমরা চেষ্টা করছি যত কম দামে পারা তত কম দামে গ্রাহকদের সেবা দিতে। ময়দা, তেল, চিনি, দুধসহ সব ধরণের পণ্যের দাম বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে আমাদেরকেও দাম কিছু বাড়াতে হচ্ছে।


Spread the love
এই বিভাগের আরো খবর

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: জুনায়েদ চৌধুরী জীবন

© All rights reserved © সুনামগঞ্জ প্রতিদিন
Theme Customized BY LatestNews
error: Content is protected !!