1. newsjibon@gmail.com : adminsp :
মানিকের পক্ষে গণজোয়ার : লুটেরা সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের বিপক্ষে জেগেছে ছাতক দোয়ারার ভোটাররা - সুনামগঞ্জ প্রতিদিন
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:১০ পূর্বাহ্ন

মানিকের পক্ষে গণজোয়ার : লুটেরা সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের বিপক্ষে জেগেছে ছাতক দোয়ারার ভোটাররা

  • শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ৪৭ বার পঠিত
Spread the love

বিশেষ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের শিল্পনগরী ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৪,৮৮,০৯৯ জন ভোটার নিয়ে সুনামগঞ্জ ৫ আসন। এবারের নির্বাচনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›দ্বীতা করছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। উক্ত নির্বাচনী এলাকার সকল প্রার্থীদৈর মধ্যে জনগনের ভোটে ১ বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ৪ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য অর্থাৎ মোট ৫ বারের নির্বাচিত প্রতিনিধি হচ্ছেন গণ মানুষের নেতা জননেতা মুহিবুর রহমান মানিক।
জনশ্রæতি রয়েছে এবার নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হলে ৫ম বারের মত প্রধানমন্ত্রী হবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। অন্যদিকে ৫ম বারের মত এমপি নির্বাচিত হলে মন্ত্রী হবেন জননেতা মুহিবুর রহমান মানিক। এ কারণেই বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চক্রান্তের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ জেলার সকল সংসদ সদস্যদের মধ্যে সিনিয়র এই এমপিকে এবার নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিয়েছেন স্বয়ং জননেত্রী শেখ হাসিনা। তবে মানিক যাতে মনোনয়ন না পান সেকারণে কেন্দ্রে দফায় দফায় নানা চক্রান্ত করা হয়েছিলো। বস্তার বস্তার টাকা খরচ করে মানিকের মনোনয়ন কেনার চেষ্টা করে প্রতিপক্ষরা।
কিন্তু শেখ হাসিনার কঠোর হস্তক্ষেপে চক্রান্তকারীদের সকল চক্রান্ত বিনষ্ট হয়। পরবর্তীতে নৌকার মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর মানিকের পেছনে লেগে যায় একই চক্র। তারা ভোটারদের ভোট ক্রয় করতে গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে খলিফা বা প্রতিনিধি নিয়োগের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে। উদ্দেশ্য একটাই যেকোন মূল্যে নৌকার ভোট ভাগিয়ে নিতে। এমনকি জেলা আওয়ামী লীগের কোন নেতারা যাতে মানিকের পক্ষে গণ সংযোগে না যান সেজন্য শহরে এজেন্ট নিয়োগ করে নানা তদবীরের মাধ্যমে নেতাদের আটকাতে চেষ্টা চালায় চিল শালিকচক্রটি। মানিকের পক্ষে যাতে কোন সাংবাদিক সংবাদ পরিবেশন না করে সেলক্ষ্যে এক সাংবাদিক এর মাধ্যমে শহরের কিছু সাংবাদিকের মুখবন্ধ করে প্রতিপক্ষরা।
এতকিছু করার পরও মানিককে দূর্বল করতে ব্যর্থ হচ্ছে চিহ্নিত চক্রটি। তাদের সকল অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে নতুন করে মানিকের পক্ষে জেগেছেন ছাতক দোয়ারার ভোটাররা। মানিককে উন্নয়ন বিরোধী হিসেবে অপপ্রচার দিতে গেলে এর জবাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সাফ বলে দিয়েছেন,এমপি মানিক তার নির্বাচনী এলাকায় ১৯টি কলেজ করেছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন ৭০ টি হাইস্কুল। ছোটবড় মিলিয়ে ২৫টি ব্রীজ কালভার্ট সেতু গড়ে তুলেছেন। সিমেন্ট ফ্যাক্টরীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড়শত যুবককে চাকুরী নিশ্চিত করে দিয়েছেন। এমপি মানিকই সর্বপ্রথম ছাতক পৌরশহরকে পৌরসভায় উন্নীত করেছেন। বর্ষায় নাও, এওতে পাও , এ ধারাকে পরিবর্তন করে ছাতক দোয়ারাকে সাধ্যমত পাকা রাস্তাঘাট স্থাপন করে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে মাইলফলক ভূমিকা রেখেছেন। করুনা মহামারী ও ভয়াবহ বন্যার সময়ে মানুষের কাছে থেকেছেন। সাধ্যমতো চালিয়েছেন ত্রাণ তৎপরতা।
সুনামগঞ্জ জেলায় তিনিই একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি ১২ মাস ২৪ ঘন্টাই রাজনীতিতে থেকে সব সময় নিজের এলাকাবাসীর উন্নয়নের কথা চিন্তা করেন। তার প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে কখনও কোন দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন করতে পারেনি। অন্যদিকে শকুন মামারা শুধু সন্ত্রাস চাঁদাবাজী করে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। পৌরসভা ও পৌর এলাকার মাতব্বর সেজে হামলা মামলায় এলাকার নিরীহ জনসাধারণকে অতিষ্ট করে তুলেছেন। মানুষের জায়গা দখলকারী ,যে পরিবারের ১৯৯৬ সালের আগে তেমন কিছুই ছিলনা তারাই লাফার্জ ,ছাতক সিমেন্ট কারখানা এবং পেপার মিলে চাদাবাজি করে রাতারাতি টাকার কুমির বনে যায় ।বিভিন্ন চাদাবাজির ব্যবসা হাতিয়ে নিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।
নদীতে নৌকা এবং সড়কপথে পৌরএলাকায় যানবাহন যাতায়তকালে চাদাআদায় করে কোটি কোটি টাকা অবৈধ্যভাবে রোজগার করেছেন খেয়াপারাপারে ২ টাকর স্হলে জোরপূর্বকভাবে ১০ টাকা ভাড়া নিয়ে প্রকাশ্য দুর্নীতি করে বুক ফুলিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাই সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে এবার জেগেছে ছাতক দোয়ারার সচেতন ভোটাররা। অপরদিকে আরেকটি মূল কারণ হচ্ছে পাকিস্তানের ২৪ বছরে এবং মুক্তিযুদ্ধের ৫২ বছরের ব্যবধানে ছাতক দোয়ারার নির্বাচিত কোন এমপিকেই অতীতের কোন সরকারে মন্ত্রী পরিষদে রাখা হয়নি। বিভিন্ন সময় মন্ত্রী হয়েছেন দিরাই থানার অক্ষয় কুমার দাশ,সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত,জগন্নাথপুরের আব্দুস সামাদ আজাদ,দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ফারুক রশীদ চৌধুরী,বর্তমান মন্ত্রী এম.এ মান্নান এমপি,সুনামগঞ্জ সদরের মাহমুদ আলী,মেজর অব: ইকবাল হোসেন চৌধুরী ও হুইপ এডভোকেট ফজলুল হক আছপিয়াসহ আরো অনেকে। মন্ত্রী পরিষদে ছাতক দোয়ারাবাজারবাসীর প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হলে একজন যোগ্য রাজনীতিবিদ নির্বাচিত করা একান্ত নৈতিক দায়িত্ব।
মূলত এই মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে ভোটাররা এবার আলাদা হিসাব নিকাশ করছেন। এহেন উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন কোন আগন্তক,গাংচিল বা শকুনমামা দ্বারা সম্ভব নয়। তাই ভোটারদের আলাদা হিসাব নিকাশে এবার বিপুল ভোটে ৫ম বারের মত এমপি নির্বাচিত হবেন মানিক এমনটাই আভাস দিচ্ছেন বিভিন্ন এলাকার ভোটাররা।
তারা বলছেন আজ কালো টাকা নিয়ে যারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন সেইসব সুদখোর দাদন ব্যবসায়ীদেরকে ছাতক দোয়ারার মানুষ ভালো করেই চিনে।
এরা অতীতে বন্যার সময় কাউকে ছটাক পরিমাণ ত্রান দেয়নি। সেসময় কোথায় ছিল তাদের কালো টাকা। তাই চাঁদাবাজীর টাকায় কখনও ভোট বিক্রয় করবেনা ভোটাররা। যেভাবে সৎ বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ হিসেবে ছাতক দোয়ারাবাসী অতীতে আব্দুল হক কে এমএনএ এবং সামসু মিয়া চৌধুরী,আবুল হাসনাত আব্দুল হাইসহ সজ্জন ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ হিসেবে নির্বাচিত করেছেন ঠিক তেমনিভাবে আবারও বিপুল ভোটের ব্যবধানে মুহিবুর রহমান মানিককে বিজয়ী করবেন।


Spread the love
এই বিভাগের আরো খবর

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: জুনায়েদ চৌধুরী জীবন

© All rights reserved © সুনামগঞ্জ প্রতিদিন
Theme Customized BY LatestNews
error: Content is protected !!