1. newsjibon@gmail.com : adminsp :
বিশ্বম্ভরপুর থানায় পুলিশের সোর্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ীতে আবারো হামলা: বসতঘর ভাংচুর - সুনামগঞ্জ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

বিশ্বম্ভরপুর থানায় পুলিশের সোর্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ীতে আবারো হামলা: বসতঘর ভাংচুর

আল হেলাল
  • রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪
  • ২৭ বার পঠিত
Spread the love

পুলিশের সোর্সের হাতে এক মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার (১লা মার্চ) সকাল ৯টায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলূকাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব কাফনা গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ সুনু মিয়ার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে পূর্ব কাফনা গ্রামের জিতু মিয়ার পুত্র ও পুলিশের সোর্স পরিচয়ধারী মামলাবাজ সন্ত্রাসী দেলোয়ার হোসেন,তার মা মদিনা খাতুন ও ছোট ভাই জাকির হোসেন মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী রহিমা খাতুন (৬০) এর উপর বর্বরোচিত হামলা করে। হামলাকারীরা বাঁশের লাঠি ও বটিদায়ের বারী মেরে বিধবা রহিমা খাতুনের ডান হাতে ও মাথার উপরিভাগে ডানপাশে জখম করে। জখমের পর সন্ত্রাসী দেলোয়ার হোসেন বিধবা রহিমা খাতুনের ১টি নাকফুল ও তার ছেলে মোঃ মাইনুদ্দিন এর পরিচালিত মীম ষ্টোর নামক দোকানের মালামাল বিক্রির ২০ হাজার টাকা জোরামূলে ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর আশংকাজনক অবস্থায় বিধবা রহিমা খাতুনকে জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়। ঘটনার ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্র মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন,পুলিশের সোর্স বলে এলাকায় পরিচয়ধারী দেলোয়ার হোসেন সম্পর্কে আমার আপন ভাগ্না হয়। কিন্তু সে এতটাই বেপরোয়া যে,এর আগে আমাকে প্রকাশ্য দিবালোকে খুন করার জন্য রামদা নিয়ে রাস্তায় ওৎপেতে বসে থাকে। এ ঘটনায় গত ২৫ জানুয়ারি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে আমি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ইউপি চেয়ারম্যান পর পর ২ বার তাকে বিচার সালিশে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু সে গ্রাম আদালতের উক্ত সালিশে না এসে এবং বারংবার সালিশ পঞ্চয়েত অবমাননা করে আমি ও আমার মাকে খুন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি আমার মাতা অনুরুপ হামলার ঘটনায় বাদিনী হয়ে উক্ত দেলোয়ার হোসেনের পিতা ও মাতার বিরুদ্ধে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। দায়েরকৃত অভিযোগটি বিশ্বম্ভরপুর থানার এস আই নজরুল ইসলামের কাছে তদন্তাধীন ছিল। এসআই নজরুল ঐদিন রাতে ঘটনাস্থলে তদন্ত কার্যক্রম শেষে থানায় ফিরে যাওয়ার সাথে সাথে পুলিশের সোর্স পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করে আবারো রামদা দিয়ে আমার বিধবা মাতা রহিমা খাতুনকে খুন করার জন্য দৌড়িয়ে একই গ্রামের হাছান আলী মিয়ার বাড়ীতে নেয়। ঘটনার ব্যাপারে জখমী রহিমা খাতুন দেলোয়ার হোসেনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওসি শ্যামল বনিক অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এসআই তাজ উদ্দিনকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। কিন্তু পুলিশ তাৎক্ষনিকভাবে কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় শনিবার (২রা র্মাচ) রাত সাড়ে ৮টায় দেলোয়ারের পিতা গরু চোর জিতু মিয়া,বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘরের বেড়ার ঢেউটিন রামদা দ্বারা কুপিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। অন্যদিকে সন্ত্রাসী দেলোয়ার হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী রহিমা খাতুন কে প্রাণে হত্যার ভয় দেখিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত নয় মর্মে কথাবার্তা শিখিয়ে ভূয়া তদন্ত অফিসার সেজে জবানবন্দী গ্রহন করে। এসব ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী রহিমা খাতুন তিনি ও তার পরিবারের উপর হামলাকারী দেলোয়ার হোসেন ও তার পিতা কে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


Spread the love
এই বিভাগের আরো খবর

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: জুনায়েদ চৌধুরী জীবন

© All rights reserved © সুনামগঞ্জ প্রতিদিন
Theme Customized BY LatestNews
error: Content is protected !!